রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে স্কুলশিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার নিলির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় লুটের উদ্দেশ্যে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) খিলগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফয়েজ ইকবাল আজ রোববার দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. সজীব অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এডিসি ফয়েজ ইকবাল বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, লুটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বাসার সামনেই নিহতের বাবার একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি নিলির মা-বাবা হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ওই সময় বাসায় ছিলেন দুই বোন। রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকলেও একজন কর্মচারী সেখানে অবস্থান করছিলেন। তিনি প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন দুপুরেও ওই বাসায় খাবার খেতে যান।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুপুরে নিলির বড় বোন জিমে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে যান। একই সময় ওই রেস্টুরেন্ট কর্মচারীও চলে যান। প্রায় ৪০ মিনিট পর ওই কর্মচারী আবার বাসায় ফিরে আসেন।
নিহতের মামাতো ভাই হারুন-অর-রশীদ ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নগদ অর্থ, পাঁচ ভরির বেশি স্বর্ণ ও কিছু রুপার অলঙ্কার খোয়া গেছে। স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে এসব মালামাল নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এডিসি ফয়েজ ইকবাল বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এর আগে শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের 'প্রীতম ভিলা' থেকে নিলির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি রেডিয়েন্ট স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।