কুড়িগ্রামের একটি সরকারি খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খাদ্যশস্যের পরিমাণে বড় ধরনের গরমিল খুঁজে পেয়েছে।
মোট ৫৫৬ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য 'উধাও' হওয়ার বিষয়টি নজরে আসার পর উল্লেখিত খাদ্যগুদাম সিলগালা করা হয়।
দুদক কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাবদারুর ইসলাম জানান, খোয়া যাওয়া খাদ্যশস্যের মজুদের মধ্যে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল অন্তর্ভুক্ত।
নতুন রেল স্টেশন এলাকায় অবস্থিত খাদ্যগুদামে গত রোববার দিনভর অভিযান চালিয়ে এ বিষয়টি উদ্ঘাটন করে দুদক।
সহকারী পরিচালক সাবদারুর ইসলাম জানান, 'খাদ্যগুদামটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।'
তিনি আরও জানান, 'গুদামে ধান ও চালের এই বিপুল ঘাটতির বিষয়ে খাদ্যগুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।'
অভিযানে দুদকের দলটি কিছু পরিমাণ খাবার অনুপযোগী চালও চিহ্নিত করে।
'খাদ্যগুদামে আর কী পরিমাণ খাদ্যশস্য খাবারের অনুপযোগী অবস্থায় আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে', যোগ করেন দুদকের ওই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী মোহাম্মদ হামিদুল হক রোববার রাতে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'অভিযুক্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হবে এবং প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।